টানা তিনদিন ধরে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে

লালমনিরহাটের ব্যারেজ পয়েন্টে টানা তিনদিন ধরে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে শুরু হয়েছে ভাঙ্গণ। এতে লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী ও হাতীবান্ধা উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের শত শত পরিবার আতঙ্কিত। ঘরবাড়ি সরিয়ে উঁচু বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে তারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও, চাহিদার তুলনায় সামান্য বলে অভিযোগ দুর্গতদের।

তিস্তার ব্যারেজ পয়েন্টে এভাবেই বইছে পানির প্রবল স্রোত। বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পানির চাপে লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের কালমাটি, বাগডোরা, আদিতমারী মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন, বারঘরিয়া গ্রামের আনুমানিক ৫০টি বাড়ী ও ফসলি জমি এখন নদীগর্ভে। এছাড়া হাতীবান্ধা উপজেলার গাড্ডিমারী, সিন্দুর্না, সিংগিমারী ও সানিয়াজানেও দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। এতে আতঙ্কিত তীরবর্তী এলাকার মানুষ। সরিয়ে নিচ্ছে বাড়িঘর।

সবচে’ বেশি হুমকির মুখে সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের বাগডোরা এলাকা। সেখানে কোন বাধ কিংবা স্পার না থাকায়– ভাঙ্গণ তীব্র হচ্ছে। এরিমধ্যে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী।ভাঙ্গণের শিকার হয়ে ভিটে-বাড়ি হারা অসহায় মানুষদের পূর্ণবাসনে দ্রুত এগিয়ে আসবে সরকার– এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তোভোগীদের।

Related posts

Leave a Comment