পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন

<iframe width=”635″ height=”362″ src=”https://www.youtube.com/embed/L7R1DO0GJBw” frameborder=”0″ allow=”autoplay; encrypted-media” allowfullscreen></iframe>

পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। মানিকগঞ্জ ও শরীয়তপুরে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ৫ শতাধিক বসত ভিটা। এদিকে, লালমরিহাটে তিস্তা নদীর পানি কমলেও নদী ভাঙনের শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও আর্থিক সহায়তা দাবি করেছেন তারা। শেষ সম্বলটুকু বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন নদী তীরবর্তী মানুষ। মানিকগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙ্গন।

হরিরামপুর উপজেলার বাহাদুরপুর, গোপীনাথপুর, উজানপাড়া, মালচী, কোশীয়ারচর ও কোটকান্দি গ্রামের কয়েকশ’ বসত-ভিটা ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নিঃস্ব হয়েছে তিন শতাধিক পরিবার। হুমকির মুখে রয়েছে হাট-বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

সর্বনাশা নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে শরীয়তপুরেও। ইতোমধ্যে পদ্মা তীরবর্তী জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার বেপারীপাড়া, বাশতলা, মোক্তারেরচর ও সুরেশ্বর গ্রামসহ প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকা ভাঙনের কবলে পড়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ওয়াপদা বাজারসহ কয়েকশ বসত-ভিটা ও ফসলি জমি। সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

এদিকে, লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি কমায় বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন বানভাসিরা। তবে, নদী ভাঙ্গনে বসত-ভিটা ও কৃষি জমি হারিয়ে আশ্রয় হারা হয়ে পড়েছে কয়েকশ’ পরিবার। লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী ও হাতিবান্ধা উপজেলার ৪০ টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রতিবছরই নদী ভাঙনের কবলে পড়েন।

Related posts

Leave a Comment